
চুলপড়া ও টাকের যে কোন সমস্যার সমাধানে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত ন্যাচরাল প্রোডাক্ট ও আধুনিক প্রযুক্তি এখন আপনার হাতের মুঠোয়। এই প্রযুক্তির ব্যবহারে মাত্র ২ সপ্তাহের মধ্যে চুলপড়া নিয়ন্ত্রণ ও চুল গজানো শুরু হয়।
বিশেষ ক্ষেত্রে চাহিদার আলোকে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করে মাত্র ১ ঘন্টার মধ্যেই স্কাল্পকে খুশকী ও ফাঙ্গাস মুক্ত করা হয়।
বর্তমান যুগে দুষিত পানি, ভেজাল খাবার ও কেমিক্যালের প্রভাব ছাড়াও বংশগত সমস্যা, হরমোনের সমস্যা, ভিটামিনের অভাব, পুষ্টিহীনতা, কপার, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাংগানিজ, তৈলাক্ততা, আয়রন ও আরো বিভিন্ন সমস্যায় অকালে চুলগুলি ড্যামেজড হয়ে চুল পড়তে পড়তে টাক হয়ে যায়।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো একটি মাত্র হেয়ার অয়েল দিয়ে নারী-পুরুষ ও সকল বয়সের মানুষের চুলপড়া বন্ধ করা সম্ভব নয়। কারণ বয়স ভেদে মহিলা, পুরুষ, শিশু, ছেলে-মেয়ে, জোয়ান-বুড়া সকলের শরীরের গঠন, হরমোন, স্কাল্পের ধরন এবং আক্রান্ত রোগের ধরন ভিন্ন ভিন্ন। সুতরাং একই ব্র্যান্ডের একটি হেয়ার অয়েল সকলের চুলের জন্য কোন অবস্থায় প্রযোজ্য নয়। আক্রান্ত রোগও সমস্যা অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন ঔষধি গুনাগুন সমৃদ্ধ হেয়ার অয়েল সহ আলাদা আলাদা বিভিন্ন প্রোডাক্টের প্রয়োজন রয়েছে।
তাই বর্তমানে স্কালপ ও চুলের সমস্যা নিরূপনের জন্য দেশে বহু ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি এসে গেছে। এই প্রযুক্তির চেকআপে মাত্র ৫ মিনিটেই আপনি জেনে যাবেন আপনার স্কালপ ও চুলের ধরন কি এবং কি কি সমস্যায় অকালে চুল পড়তে পড়তে মাথায় টাকে আক্রান্ত হয়েছে এবং সমস্যার সমাধানে কি কি প্রোডাক্ট ব্যবহার করলে দ্রুত চুলপড়া বন্ধ হয়ে নতুন চুল গজাবে
বিভিন্ন নামী দামি ব্র্যান্ডের হেয়ার অয়েল ব্যবহারের পরেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে চুলপড়া বন্ধ না হওয়ার কারন হচ্ছে, চুলের গোড়ায় যদি খুশকী বা ফাঙ্গাস থাকে, অথবা স্কাল্প যদি ড্যামেজ হয়, তৈলাক্ত (ঘামযুক্ত) বা (ইনফেকশন) যুক্ত থাকে। তাহলে চুলের লোমকুপ গুলি বন্ধ থাকার কারনে হেয়ার অয়েল সমূহ আলো-বাতাস ও খাদ্য উপাদানগুলি স্কাল্পের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে না বিধায়, সহজে চুলপড়া বন্ধ হয়না এবং নতুন চুলও গজায় না।
আধুনিক যুগে যেহেতু চুলের চিকিৎসায় দেশে বিভিন্ন প্রযুক্তি ও ঔষধি প্রোডাক্ট অত্যন্ত সহজে পাওয়া যাচ্ছে, সেহেতু বিভিন্ন তেল ব্যবহারের পরেও যাদের চুলপড়া বন্ধ হচ্ছে না, তাদের জন্য পরামর্শ হচ্ছে, হেয়ার অয়েল ব্যবহারের পূর্বে আমাদের অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্বাবধানে, বিনা মূল্যে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে চুলের গোড়া ও মাথার ত্বক (স্কাল্প) পরীক্ষা করে সমস্যাগুলি নিরুপন করে স্কাল্প ও চুলের গোড়ার ইনফেকশনগুলি পরিষ্কার করে একটি ঔষধি হেয়ার অয়েল ও শতভাগ খাঁটি একটি হারবাল শ্যাম্পু ব্যবহার করলে ৫/৭ দিনের মধ্যেই চুলপড়া নিয়ন্ত্রনে আসবে এবং ড্যামেজ চুলগুলি সুস্থ হবে। পাশাপাশি ড্যামেজ বীজগুলি সুস্থ হয়ে নতুন চুল গজাবে।
টাক ৩ প্রকার ১। এলোপিসিয়া এ্যারিয়েটা (প্রাথমিক ধাপের টাক)। হঠাৎ করে গোলাকার মত একটি অংশ থেকে সবগুলি চুল উঠে সাধা চামড়া দেখা যায় । এটি দ্রুত নিরাময়যোগ্য। এমাইনো এসিড জাতীয় (প্রোটিন সমৃদ্ধ) ঔষধ খেলে ১ মাসে চুল গজায় । ২। এলোপিসিয়া টোটালিশ। প্রোটিনের অভাব, টাইফয়েড আক্রান্ত অথবা দীর্ঘদিন যাবত এন্টিবায়োটিক ঔষধ সেবনের কারণে মাথা, দাঁড়ির ও শরীরের সব চুল পড়ে যায়। দ্রুত সময়ে আধুনিক প্রযুক্তি, ঔষধি হেয়ার অয়েল ও ক্রীম ব্যবহারের পাশাপাশি L-TYROSIN নামীয় একটি ন্যাচারাল ক্যাপসুল সেবন করলে পুনরায় চুল গজায়। ৩। এলোপিসিয়া ইউনিভারসালিশ-এলোপিসিয়া টোটালিসের কোন চিকিৎসা না করলে, তাহা ক্রমান্বয়ে ৬ মাসের মধ্যে এলোপিসিয়া ইউনিভারসালিশে পরিনত হয়। ৬ মাস পরে চিকিৎসা করলেও কোন অবস্থায় জীবনে চুল আর গজায় না।
আধুনিক প্রযুক্তির চেকআপ করে কোন কোন সময় ঔষধি হেয়ার অয়েল ব্যবহারের পরেও চুলপড়া বন্ধ না হলে বুঝতে হবে, চুলের গ্রোথ সাইকেল চলমান রয়েছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের তথ্য মতে গ্রোথ সাইকেল হচ্ছে, প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে ২০ থেকে ২২টি গ্রোথ সাইকেল থাকে। অর্থাৎ তখন নতুন চুল গজানোর জন্য পুরাতন চুলগুলি কোন কারণ ছাড়াই ঝড়ে যায়। তখন যত রকমের ঔষধ পত্র সেবন বা উন্নত মানের ঔষধি হেয়ার ওয়েল ব্যবহার করলেও চুলপড়া বন্ধ হবে না। এই পড়াটা হচ্ছে চুল গজানোর জন্যই চুল পড়া। যাহা অধিকাংশ লোকই জানে না। চুলের চিকিৎসায় অভিজ্ঞ একজন চিকিৎসকই তাহা নিরূপন করতে পারবে।
বংশগত চুল পড়ার সমস্যায় দ্রুত সময়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারের তত্বাবধানে আধুনিক মেশিনে চুল চেকআপ করে যে চুলগুলি বর্তমানে আছে, ট্রীটমেন্টের মাধ্যমে স্কাল্পের নিচের চুলের বীজকোষগুলিকে (ফলিকল্স) স্বাস্থ্যবান করুন। তাতে চুলগুলি আরো দীর্ঘজীবি হবে। কারণ বংশগত সমস্যায় চুল পড়ার সাথে সাথে চুলের বীজকোষগুলি মারা যায়। যার কারণে চুল আর গজায় না ।
চুল পড়বে গজাৰে এটাই স্বাভাবিক। একটি চুল আজীবন থাকে না। চুলের বয়স হলে নতুন চুল গজানোর সময় পুরাতন চুলগুলিকে ঠেলে বের করে দেয়। যাকে আমরা চুল পড়া বলি। তাছাড়া বংশগত সমস্যা, শারীরিক সমস্যা, হরমোনের সমস্যা, পানির সমস্যা ও খাদ্য উৎপাদনের অভাবেও চুল পড়ে যায়। চুল যখনই পড়ে যায় স্কাল্পের নিচে চুলের বীজকোষটি দীর্ঘদিন ড্যামেজ অবস্থায় বেঁচে থাকে। তখন যদি চিকিৎসা করা হয় ড্যামেজ বীজকোষটি (কলিকলস) সুস্থ হবে এবং অবশ্যই সেই বীজকোষ পুনরায় চুল গজাবে। বিলম্বে চিকিৎসা করলে বীজকোষটি মারা যাবে তখন আর চুল গজানোর সম্ভাবনা থাকে না।
যদি কারো মাথার চুল পাতলা হয়ে যায় এবং স্কাল্পের নিচে চুলের বীজকোষ ড্যামেজ অবস্থায় জীবিত থাকে, তাহলে শরীর থেকে সুইয়ের মাধ্যমে রক্ত নিয়ে রক্তগুলো নিউটল করে মাথায় পুশ করে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। যদি বীজকোষ না থাকে তাহলে ট্রীটমেন্টে চুল গজাবে না । বীজকোষ আছে কিনা চেকআপ করার আধুনিক প্রযুক্তি চট্টগ্রামে খুব একটা নাই।
যে সকল মানুষের মাথার উপরে চুল নাই, কিন্তু মাথার পিছনে, দাড়ীতে বা বুকে চুল আছে, সেখান থেকে লোকাল এনেসথেসীয়া ও সার্জিক্যালের মাধ্যমে চুলগুলির বীজকোষ উঠিয়ে মাথার উপর ছিদ্র করে করে চুলের বীজকোষগুলি প্রতিস্থাপন করা হয়। ট্রাইকোলজি ট্রেনিং প্রাপ্ত ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে ট্রান্সপ্ল্যান্ট করলে ৪৫ দিনের মধ্যে মোটামুটি চুল গজায়।
এই ট্রীটমেন্ট একদম প্রাকৃতিক ও আধুনিক। অর্থাৎ কোন এনেসথেসিয়া নাই, ব্যথা-বেদনা নাই, কাটা-ছেড়া নাই, কোন রক্তপাত নাই, সুই ফুটিয়ে কোন রক্ত নেওয়া বা রক্ত পুস করা হয় না। যদিও ৪/৫ টি টেকনোলজির মাধ্যমে সপ্তাহে ১ ঘন্টা করে ৩ সপ্তাহে ৩টি সেশন ট্রীটমেন্ট দেওয়া হয়। বীজকোষ জীবিত থাকলেই শতভাগ অবশ্যই চুল গজানোর নিশ্চয়তা আছে। এই ট্রীটমেন্ট চট্টগ্রামে আমাদের ক্লিনিকে ১৪ বছর যাবৎ চলমান আছে।
সরাসরি আমাদের ক্লিনিকে এসে আধুনিক প্রযুক্তির মেশিনে চেকআপ করে চিকিৎসা নিতে চাইলে ভিজিট ও চেকআপ ৩০০/- টাকা । এবং ক্লিনিকে না এসে ছবি পাঠিয়ে আধুনিক মেসিনে চেকআপ ফ্রি। – ছবি পাঠিয়ে বা টেলিট্রীটমেন্টে প্রোডাক্টের শুধুমাত্র স্কাল্পের খুশকী, ফাঙ্গাস, স্কাল্পের তৈলাক্ততা, স্কাল্পের ইনফেকশন, পুষ্ঠিহীনতা ও চুলপড়া বন্ধ করা যাবে এবং পাশাপাশি মহিলাদের সাদা স্রাব বন্ধ ও অনিয়মিত পিরিয়ডের সমাধান করা যাবে। যে মহিলা ও পুরুষের উল্লেখিত সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি চুল গজানোর জন্য সরাসরি চেম্বারে এসে ৩০০/- টাকা ভিজিট দিয়ে চেকআপ করে চিকিৎসা নিতে হবে এবং প্রোডাক্টের পাশাপাশি কিছু ন্যাচারাল ঔষধপত্র সেবন করতে হবে এবং কত % চুল গজাবে তা লিখে দেওয়া হবে।
১) স্কালপ ক্লিনজার হারবাল শ্যাম্পু ৩৫০/- টাকা।
২) খুশকী ও ফাঙ্গাস পরিষ্কারের পাশাপাশি ড্যামেজ চুলগুলি স্বাস্থ্যবান করার জন্য স্কাল্প রিফ্রেশ অয়েলের মূল্য ৬৩০/- টাকা।
৩) স্কাল্পের তৈলাক্ততা (ঘাম) ও ইনফেকশন দূরীকরণের জন্য স্কাল্প অয়েল রিমোভার মূল্য ৫২৫/- টাকা। উক্ত তৈলাক্ততা দূরীকরণ না করলে হাজার হাজার টাকার প্রোডাক্ট ব্যবহার বা ঔষধ সেবন করলেও সমস্যা দূর হবে না।
৪) মহিলাদের সাদা স্রাব বন্ধ করার জন্য লিকুরিয়া ট্যাবলেট মূল্য ৪০০/- টাকা।
৫) চুলপড়া বন্ধ করা ও চুল গজানোর জন্য হেয়ার প্রোটিন অয়েল, যদি স্কাল্পের কোন সমস্যা না থাকে। তাছাড়া কারো যদি রেগুলার হেয়ার অয়েল ব্যবহারের অভ্যাস থাকে, চুলের সুরক্ষায় এই তেলটি সপ্তাহে ৩ দিন করে সারা বৎসরই ব্যবহার করতে পারেন। তবে ওয়াস করার জন্য অবশ্যই হারবাল শ্যাম্পু ব্যবহার করা উত্তম।
৬) কারো মাথায় বা দাড়িতে হঠাৎ করে গোলাকার মত জায়গা থেকে চুল উঠে চুল উঠে চামড়া দেখা গেলে (এই টাকের নাম এলোপিসিয়া এরিয়েটা) টাক অয়েল কোট ব্যবহার করলে পুনরায় চুল গজায়, মূল্য ৫৫০/- টাকা।
৭) কারো মাথায় টাক হলে অয়েল অব এলোপিসিয়া ব্যবহারে পুনরায় চুল গজায়, তবে অবশ্যই ক্লিনিকে এসে উক্ত তেলের সাথে অন্যান্য প্রোডাক্ট ও ঔষধপত্র নিতে হবে, উক্ত তেলের মূল্য ২৯৫০/- টাকা।
৮) প্লাস্টিক ও নাইলনের চিরুনি স্কাল্প ও চুলের গোড়ার জন্য খুবই ক্ষতিকর সিনথেটিক। তাহা বর্জন করে কাঠের চিরুনি ব্যবহার করলে চুল ও ত্বক স্বাস্থ্যবান থাকে, মূল্য ১২০/- টাকা।












